দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের বন্যা কবলিত এলাকায় শুরু থেকেই বিশুদ্ধ খাবার পানির চরম সংকট দেখা দেয়। অব্যাহত ভারী বর্ষণের সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলের পানি ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। সবকিছু ডুবে যাওয়ার পাশাপাশি ডুবে যায় টিউবওয়েল। ফলে বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট সৃষ্টি হয়।
চকরিয়ার বন্যা কবলিত এলাকার লোকজনকে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। বন্যার কারণেই বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটে থাকা মানুষগুলোর কাছে হাজির হয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মীরা। তারা হাইজিন কিট জেরিকেন পানির বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট নিয়ে এগিয়ে আসে। এই চরম সংকটে বন্যা কবলিত এলাকার মানুষগুলো বিশুদ্ধ খাবার পানি পেয়ে দারুন খুশি।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর চকরিয়া সহকারী প্রকৌশলী ইফতেখারুল আলম বলেন, আমরা বন্যার শুরু থেকে কাজ করে যাচ্ছি মানুষকে বিশুদ্ধ খাবার পানি দেওয়ার জন্য। চকরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় আমরা যাচ্ছি মানুষকে খাবার পানি সরবরাহ করতে।
শুধুমাত্র চকরিয়াতে এ পর্যন্ত তারা এক লাখ ২০ হাজারের মতো পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দেয়ার পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করার কথা জানান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর চকরিয়ার উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আল আমিন বিশ্বাস। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ পানি পরিশোধনাগারের মাধ্যমে প্রতিদিন আমরা বন্যা কবলিত এলাকার মানুষকে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করে আসছি।
বিশুদ্ধ খাবার পানি নিশ্চিত করা গেলে বন্যা পরবর্তী নানা রকমের রোগ ব্যাধি থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কেএম